সাপের সাথে সহবাস :
Part 4:
নন্দিনী তারে সপ্নে দেখে চিন্তে পারল আর আগের মতন তারা সহবাসে লিপ্ত হলো। যখন নন্দিনীর ঘুম ভাঙ্গলো দেখলো বিছানার পাশে তার সব জামাকাপড় পারে আছে আর তার শরীর খুব ব্যাথা করছে। সে কোনরকম জামা পরে ওয়াশরুম এ যে দেখে তার গলায় লাল ছোপ ছোপ দাগ হয়ে আছে। এই দেখে নন্দিনীর বুঝতে বাকি রইলনা তার সাথে ঠিক কি হয়েছে। এই ভাবে বেশ কিছুদিন কেটে গেল নন্দিনী মাঝে মাঝেই এই সপ্ন দেখতে লাগল কিন্তু সে কাউকে কিছু বলল্ল না। এই দিকে যত দিন যাচ্ছে নন্দিনীর শরীর খারাপ হয়ে পরছে। সে ঘর থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দেয় আর অদ্ভুত আচরণ করা শুরু করে। একদিন নন্দিনীর মা রাতে তার রুমে ঢুকতে যে এক চিৎকার দিয়ে বের হয়ে আসে আর নন্দিনী কে একটা সাপ পেচিয়ে আছে। এই কথা শুনে জয়নাল সাহেব নন্দিনীর ঘরে যেতেই দেখে একটা সাপ জানালা দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। এই দেখে তার বুঝতে বাকি থাকল না যে তার মেয়ের সাথে কি হচ্ছে। তাই জয়নাল সাহেব দেরি না করে এক সাপুরে কে তার বাসায় নিয়ে আসে।
এদিকে নন্দিনীর অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে। সাপুরে ঘরে ঢোকা মাত্রই সাপের উপস্থিতি উপলব্ধি করতে পারল উপলব্ধি করতে পারল। সে জয়নাল সাহেবকে জিজ্ঞাসা করলেন বাড়িতে কে কে আছে উত্তরে জয়নাল সাহেব বললেন তিনি তার স্ত্রী এবং তাদের মেয়ে আছে। সাপুড়ে সারা বাড়ি ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলো যখন সে নন্দিনীর ঘরের সামনে আসলো আচমকা সে দাঁড়িয়ে পরল আর জিজ্ঞাসা করল এটা কার ঘর। উত্তরে জয়নাল সাহেব বললেন এটা তার একমাত্র মেয়ে নন্দিনীর ঘর। এই কথা শুনে সাপুড়ে জয়নাল সাহেবকে বললেন তার মেয়ের সাথে অন্য কেউ থাকে আর সেটা হচ্ছে একটা বিষাক্ত সাপ এই কথা শুনে জয়নাল সাহেব বললেন যে সে সবকিছু জানে। কিন্তু এর থেকে বাঁচার উপায় তার জানা নেই। সেই সাপুরে কে তার অতীতের এবং বর্তমানের সব ঘটনা খুলে বলল। সাপুড়ে যখন নন্দিনীর ঘরে প্রবেশ করতে যাবে ঠিক তখনই একটা শব্দ শুনতে পায়। আর এই শব্দ টা হচ্ছে সাপের ফোঁসফোঁসানি শব্দ। সাপুড়ে অনেক চেষ্টা করে সাপকে তার আয়ত্তে আনা কিন্তু কোনোভাবেই সেটা সম্ভব হচ্ছিল না পরে চলে যাবার আগে জয়নাল সাহেবকে শুধু একটাই কথা বলে গেলেন যে এই সাপ নন্দিনীর সাথে প্রায় প্রতিদিনই সহবাসে লিপ্ত হয় এবং কিছুদিনের মধ্যেই নন্দিনীর গর্ভে সাপের সন্তান জন্ম নেবে।
এই কথা বলে যাওয়ার কিছুদিন পরে নন্দিনী হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় কিন্তু কোন রোগ ধরা পড়ে না। অথচ নন্দিনীর পেটে অসহ্য ব্যথা শুরু হয় তাই ডাক্তাররা ঠিক করে তার আল্ট্রাসনো করা হবে। আল্ট্রাসনো রিপোর্ট দেখে ডাক্তাররা রীতিমতো চমকে ওঠে। তার পেটের ভেতরে কিছু একটা কুণ্ডলী পাকিয়ে আছে যেটা দেখতে অনেকটা সাপের মতন কিন্তু স্পষ্টভাবে বুঝতে না পারায় ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নেয় সপ্তাহখানেক পরে আবার তার আল্ট্রাসনো করা হবে।
Next part দেখতে হলে নিচের লিংকে ক্লিক করেন
