সাপের সাথে সহবাস (Horror Story) part 1

 সাপের সাথে সহবাসঃ 




Part 1: 


নন্দিনী......বাবা-মায়ের একমাত্র মেয়ে নন্দিনী খুব আদরের ছিল। একমাত্র মেয়ে হাওয়াই তার সব ধরনের আবদার মেনে নিতেন জয়নাল সাহেব। আজ নন্দিনী ১৮ তে পা দেবে তাই পুরো বাড়ি আনন্দে মেতে উঠেছে। খুব বড়ো করে অনুষ্ঠান হবে আজ। সন্ধ্যা হয়ে আসতেই এক, এক করে সব অতিথি চলে আসল। এতো উপহার দেখে নন্দিনী খুব খুশি হয়। সাভাবিক ভাবে অনুষ্ঠান শেষ হলো সবাই চলে গেল। রাত তখন ১২ টা হঠাত নন্দিনী আবদার করে সে গ্রামে ঘুরতে যাবে। জয়নাল সাহেব প্রায় ৪৫ বছর আগেই গ্রাম থাকে শহরে চলে আসেন তাই গ্রামের কারোর সাথে তার তেমন যোগাযোগ নেই। কিন্তু কি করবে এক মাত্র মেয়ের আবদার সে ফেলতে পারেননি। যেহেতু নন্দিনী ছোট থেকেই শহরে বড়ো হয়েছে তাই গ্রাম সম্পর্কে ধারণা নেই বল্লেই চলে। তার বাবার মুখ থেকে যতটুকু শুনেছে গ্রামের কথা। মেয়ের কথা রাখতে জয়নাল সাহেব ঠিক করলেন পর্শু তারা গ্রামে যাবেন। তাই ফোন করে তার দূর সম্পর্কে এক বোন কে সব ঠিক ঠাক করে রাখতে বলেন। মাঝে মাত্র ১ টা দিন তাই সব প্রয়োজনীয় জীনিস গুছিয়ে নিতে বলেন। হঠাৎ জয়নাল সাহেব গভীর চিন্তাই ডুবে গেলেন। তখন সে গ্রামে থাকতেন এক দিন সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরছিলেন একা। তার বাড়ি ফেরার পথে একটা ছোট জঙ্গল পার হয়ে আসতে হয়। যখন তিনি সেই জঙ্গল পার হচ্ছিলেন তখন একটা বিষাক্ত সাপ তার সামনে পরে টর্চ এর আলোতে সে একটা লাঠি দিয়ে সাপ কে পিটিয়ে মেরে ফেলে। সাপটা মরে যাবার পারে জয়নাল সাহেব লক্ষ্য করেন যে সাপের পেটে ডিম ছিল অর্থাৎ সেটা নাগিন ছিল। যায় হক জয়নাল সাহেব বাড়ি চলে আসলেন আর রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে যান। তার ঠিক ৩ দিন পরে রাতে সে সপ্ন দেখেন এক বিশাল আকৃতির সাপ তার সামনে মানুষ রূপ ধারণ করে। এই দেখে সে খুব ভয় পায় তখন সাপ টা বলে ৩ দিন আগে সে যেই সাপ কে মেরেছে সেটা ছিল তার সহধর্মিনী আর সেই সাপের শরীরে তার সন্তান ছিল কিন্তু তুই তাকে পিটিয়ে মেরেফেলেছিস সাথে আমার সন্তানদের ও এর জন্য তোকে আনেক বড়ো মূল দিতে হবে। সে আরও বলে তোর ঘরে জন্ম নেবে এক কন্যা সন্তান তার যখন ১৮ বছর হবে তখন সে এই গ্রামে আসবে আর এই খানেই এক পূর্নিমার রাতে হবে তাদের মিলন আর মিলনের পরে তার গর্ভে আসবে তারই সন্তান এই বলে সে চলে যায় আর জয়নাল সাহেবের ঘুম ভেঙ্গে যায়। কিন্তু সে সপ্ন কে তেমন পাত্তা দেয় না। এই সব ভাবতে থাকে হঠাত সে বাস্তব এ ফিরে আসেন দেখেন তার বউ তাকে ডাকে 


Next part দেখতে হলে নিচের লিংকে ক্লিক করেন


Post a Comment

Previous Post Next Post