সাপের সাথে সহবাস (Horror Story) part 2


 

Part 2 : 


জয়নাল সাহেব ভাবতে থাকেন এতদিন পরে কেন সেই পুরাতন স্বপ্ন নিয়ে সে ভাবছেন। মনে মনে ভাবলেন সেকি তার স্ত্রীকে স্বপ্নের কথা জানাবেন? কেন আজ সপ্নের কথা ভেবে তার মন বিচলিত ইচ্ছে তাহলে কি তাদের সামনে বড়ো বিপদ অপেক্ষা করছে এই সব ভাবতে ভাতের সে কখন যে ঘুমিয়ে পরে সে বুঝতে পারে নি। এক দিন পার হয়ে গেল আসল সেই দিন যেদিন তারা গ্রামে যাবে বলে ঠিক করেছে। এই দিকে নন্দিনী তো খুব খুশি এই প্রথম সে গ্রামে যাবে তাই খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে পরছে। জয়নাল সাহেব সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে পরলেন গ্রামের উদ্দেশ্যে। তাদের গ্রামে যেতে বিকাল হয়ে যায় তাই ঔ দিন নন্দিনী কে তার বাবা মা বের হতে নিষেধ করে। রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে যায়  নন্দিনী কে আলাদা একটা ঘরে দেয়া হয় কারণ সে একা ঘুমাতে পছন্দ করে। সেই দিন রাতে কিছু ঘটে নি। সকালে সবাই ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করতে বসে তখন নন্দিনী বায়না করে সে গ্রাম ঘুরে দেখবে। নাস্তা শেষ করে তারা ৩ জনই বের হয়। জয়নাল সাহেব পূর্বের মতন সেই সপ্নের কথা ভুলে জান। এত বছরে গ্রামটার বেশ উন্নতি হয়েছে দেখে সে বেশ খুশিই হন। বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করে তারা সেই জঙ্গলের পাশে জান জঙ্গল দেখে সে একটু অবাকই হলেন আর ভাবলেন এতো বছর পরেও জঙ্গল টা আগের মতন আছে। হঠাত তার মেয়ের ডাকে সে ভাবনার জগত থেকে বের হয়ে আসে। সে তার মেয়ে আর বউ কে বলে তারাতারি জঙ্গল  পার হতে। তারা জখন জঙ্গোলের সিমানা পার হবে ঠিক তখনই নন্দিনী থমকে দারায় এই দেখে জয়নাল সাহেব তার দিকে এগিয়ে আসে আর দেখে নন্দিনীর চোখ রক্তের মতন লাল হয়ে আছে আর নন্দিনী সাপের মতন ফোস ফোস করছে। এই দেখে নন্দিনীর মা ভয় পেয়ে যায় আর নন্দিনী বেহুশ হয়ে মাটিতে পরে যায়। জয়নাল সাহেব মেয়েকে কোলে করে বাড়ি নিয়ে আসেন আর মুখে পানি দেন। কিছুক্ষণ পরে নন্দিনী চোখ খলে আর বলে ঔ  জঙ্গলে কে যেন তার নাম ধরে ডাকছিল তার কাছে যেতে বলছিল তারপর তার আর কিছু মনে নেই। এই কথা শুনে  সবাই একটু ঘাবড়ে যায় কিন্তু নন্দিনীর সামনে কেউ তা প্রকাশ করে না। এদিকে জয়নাল সাহেব ঠিক করেন তারা পরের দিন ই চলে যাবেন  কিন্তু নন্দিনী যেতে রাজি হয় না সে বায়না করে আর ও কিছু দিন সে এইখানে থাকবে। তাই মেয়ের আবদার মেটাতে থাকতে রাজিতো হলেন কিন্তু বিশাল চিন্তা আর ভয় এর পাহাড় তার মাথায় চরে বসলো।

Next part দেখতে হলে নিচের লিংকে ক্লিক করেন

                    LINK

Post a Comment

Previous Post Next Post