সাপের সাথে সহবাস (Horror Story) part 3

 সাপের সাথে সহবাস : 



Part 3 :


জয়নাল সাহেব পরলেন খুব বিপদে এদিকে মেয়ে অসুস্থ তার ওপর এমন বায়না সব কিছু চিন্তা করে সে ঠিক করলেন আর ২ দিন তারা গ্রামে থাকবে আর তার বউ কে বল্লেন মেয়ে কে দেখে রাকতে। নন্দিনীর শরীর ক্লান্ত থাকাই সে ঘুমিয়ে পরে। রাতে শুতে যাবার আগে ঠিক হলো নন্দিনীর সাথে তার মা ও আজ ঘুমাবে। তাই মা ও মেয়ে রাতের খাবার শেষ করে ঘুমাতে চলে যায়। রাত তখন ২টা হঠাত এক শব্দে নন্দিনীর ঘুম ভেঙ্গে যায় সে হালকা অলো তে দেখে এক বিশাল সাপ তার পুরো শরীর পেচিয়ে আছে। আর তার শরীরের গোপন অঙ্গতে অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছে। মনে হচ্ছে কেউ যেন জোর করে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। এই দেখে সে খুব জরে চিৎকার করে ওঠে। তার মা চিৎকার শুনে ঘরের লাইট জালায়ে দেখল এক বিশাল সাপ জানালা দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে।


নন্দিনীর মা আলো জ্বালাতেই সাপের দিকে চোখ গেল। সাপটা ছিল কালো কুচকুচে এই দেখে নন্দিনীর মা জোরে চিৎকার দিয়ে উঠলেন। সেই  চিৎকার শুনে পাশের ঘর থেকে ছুটে আসলেন জয়নাল সাহেব আর জিজ্ঞাসা করলেন কি হয়েছে তখন নন্দিনীর মা যা দেখেছেন সেটা কাপা কাপা গলাই বল্লেন। এই দিকে নন্দিনী এক দৃষ্টিতে জানালার দিকে তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে সে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়েছে এই দেখে জয়নাল সাহেব তারে ধরে ঝাকালেন  তখন নন্দিনী কাঁদতে কাঁদতে সব বল্লো। আবার সে কাঁদতে থাকে আর বলে সে ফিরে যাবে কারণ সব কিছু দেখার পর সে খুব ভয় পেয়ে যায়। সব শুনে জয়নাল সাহেবর বুঝতে আর বাকি থাকলোনা যে অতীত এর দেখা সপ্ন সত্যি হতে চলেছে। তাই ঠিক হলো তারা সকালেই ফিরে যাবে কিন্তু কেউই যানতনা সামনে তাদের জন্য কি অপেক্ষা করে আছে। সেই রাতে আর কেউ ঘুমাতে পারলোনা সকাল হতেই কোনরকম ফ্রেশ হয়ে তারা বের হয়ে পরলো। কিন্তু মাঝ রাসতায় তাদের গাড়ি হঠাৎ খারাপ হয়ে যায় অনেক চেষ্টা করেও সেটা ঠিক করা সম্ভব হলো না। আর এখন গাড়ি ঠিক করানোর লোক আনতে শহরে যেতে হবে তাই ড্রাইভার কে বল্লো শহরে যে মেকানিক নিয়ে আসতে। মেকানিক বল্লো গাড়ি ঠিক হতে এক দিন সময় লাগবে তাই কোন উপায় না দেখে তারা আবার ফিরে গেলেন। দুপুরের খাবার খেয়ে সবাই শুতে গেল কারণ রাতের ঘটনার জন্য কেউ রাতে ঘুমাতে পারে নাই। দুপুরে যখন সবাই গভীর ঘুমে তখন নন্দিনীর হঠাত করে ঘুম ভেঙে যায় আর অদ্ভুত একটা শব্দ শুনতে পায় খাটের নিচ থেকে। সে যখন  দেখার জন্য নিচু হয় দেখে একটা বড় কালো সাপ কুনডুলি পাকায় ফনা তুলে ফোসস ফোসস শব্দ করছে এই দেখে নন্দিনী চিৎকার দিয়ে জ্ঞান হারায়।


জ্ঞান ফিরতে সবাই কে সবটা বলে। এই দিকে জয়নাল সাহেবের  মুখে দুঃস চিন্তার ছাপ দেখে তার বউ তার কাছে যানতে চাইলেন কি হয়েছে তখন তিনি অতীতের   সব কথা বল্লেন এই কথা শুনে তার বউয়ের ও চিন্তার পাহাড় জমা হলো আর হবে নাই বা কেন  এসে ধরে যে সব হয়ে চলেছে তাতে চিন্তা করাটাই সাভাবিক।


এদিকে নন্দিনী কখন যে ঘর থেকে বের হয়ে গেছে সেটা কেউ জানে না। সবাই নন্দিনী কে দেখতে না পেরে খোজা খোজি করতে লাগল। কিন্তু কোথাও তাকে পাওয়া যাচ্ছে না হঠাৎ একজন এসে বল্লো নন্দিনী জঙ্গলের কাছে কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে পরে আছে আর তার পাশে এক বিষাক্ত, সাপ তার চার পাশে ঘুরছে।

 

 এই বিষাক্ত সাপ দেখে অনেকে লাঠি নিয়ে আসে মারবার জন‍্য কিন্তু কোন লাভ হয় না। সাপ টা চখের পলকে অদৃশ্য হয়ে যায় অনেক খুজেও পাওয়া যায় না তাই নন্দিনী কে নিয়ে সবাই বাড়ি চলে আসে। বেশ কিচ্ছুক্ষন পরে নন্দিনীর জ্ঞান ফেরে সবাই জানতে চাওয়ায় সে বল্লো অনেক দূর থেকে কে যেন তাকে ডাকছিল তার কাছে যেতে বলছিল তারপর সে ঘর থেকে বের হয় কিন্তু এর পর আর কিছু তার মনে নেই। এই কথা শুনে জয়নাল সাহেব তাকে চোখে চোখে রাখতে বলে ঘর থেকে বের হয়ে যায়। এ দিকে সন্ধা হয়ে আসে আর যে যার বাসায় চলে যায় রাতের খাবার খেয়ে সবাই শুতে যায়  আগের দিন এর মতোই নন্দিনী আর ওর মা এক সাথে ঘুমাল। রাত তখন ২:৪৫ হঠাৎ নন্দিনী জেগে যায় আর শুনতে পায় তার নাম ধরে কেউ ডাকছে সে উঠে বসে তার মা কে ডাকতে যাবে এমন সময় একটা আলো তার চখে এসে পরে কিন্তু সে যানে না আলোর উৎস কোথাথেকে আসছে। তাই সে আলোর পিছনে জেতে থাকে কিছু দূর যেতে সে দেখতে পেলো এক সুন্দর যুবক সেখানে দাঁড়িয়ে আছে। নন্দিনী তার চোখের দিকে তাকাতেই সে যেন অন‍্য এক দুনিয়ায় হারিয়ে গেল। সেই সুন্দর যুবক তার কাছে এগিয়ে আসল আর নন্দিনীর গালে আলতো করে হাত রাখতেই নন্দিনীর সারা শরীর কেপে উঠলো। নন্দিনী আগে কখন কোন ছেলের স্পর্শ পাইনি তাই এই যুবক এর স্পর্শ পাওয়া মাত্রায় সে অন্য জগতে চলে গেল এবং তার হিতাহিত জ্ঞান হারালো। যুবকটি তাকে কাছে টেনে নিল আর নন্দিনী কে তার বুকের সাথে জরিয়ে ধরলো। নন্দিনীর ঘনো নিশ্বাস পরা শুরু হলো তাই দেখে যুবক তাকে নিয়ে সুন্দর এক ঘরে প্রবেশ করল আর নন্দিনী কে সুন্দর এক খাটে শুইয়ে দিলো নন্দিনীর মনে হচ্ছিল এই যুবক কে সে বহু আগের থেকে চেনে তাই কোন বাধা ছাড়াই তারা সহবাসে লিপ্ত হয়। হঠাৎ ভোরের আলো ফুটতেয় সব কিছু পালটাতে লাগল আর নন্দিনীর যখন ঘোর কাটল সে দেখলো এক জজ্ঞল এর মাঝে সে আছে তার শরীর এর সব কাপড় পাশে পারে আছে আর একটা সাপ পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে।

এই দেখে নন্দিনী চিৎকার দিতে চাইল কিন্তু তার শরীরে কোন শক্তি অবশিষ্ট নেই তাই সে কোনরকম জামা কাপড় পড়ে হাঁটতে শুরু করল। অনেক কষ্ট করে সে বাড়ি পর্যন্ত আসলো কিন্তু তার রাতের কোন কথাই তেমন মনে পড়ছে না।  এদিকে নন্দিনীকে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি শুরু হল। কিন্তু কোথাও নন্দিনীকে পাওয়া যাচ্ছিল না। হঠাৎ নন্দিনী বাড়ি ফিরে আসায় তার মা তাকে ধরে কাদতে শুরু করলেন আর তখনই নন্দিনী মাটিতে পরে যায়।

খবর আসে গাড়ি ঠিক হয়ে গেছে তারা চাইলে আজি রওনা দিতে পারে। এই কথা শুনে জয়নাল সাহেব আর এক মুহুর্ত নষ্ট করতে চাইলেন না। জয়নাল সাহেব তার বউকে ডেকে বললেন নন্দিনী কে নিয়ে গাড়িতে বসতে সে সব জিনিস নিয়ে আসছে। নন্দিনী ও তার মা গাড়িতে গিয়ে বসলেন এবং জয়নাল সাহেব এসে ড্রাইভারকে খুব দ্রুত গাড়ি চালাতে বললেন। 

 তাদের বাসায় পৌঁছাতে প্রায় রাত হয়ে গেল। বেশ কিছুদিন সব স্বাভাবিক ছিল নন্দিনী ও আস্তে আস্তে সবকিছু ভুলে যেতে লাগলো। হঠাৎ একদিন নন্দিনী সেই যুবক কে স্বপ্নে দেখতে পাই।

Next part দেখতে হলে নিচের লিংকে ক্লিক করেন

                             LINK


চলবে........

Post a Comment

Previous Post Next Post